Friday, October 7, 2011

আগামি ৫ মিনিট এই পোস্ট আমাদের আপুদের স্তব্ধ করে দেবে


এই পোস্ট ফেসবুকের এক আপুর লেখা । এই লেখাটা লিখেছেন আমাদের বোন শাবনাজ মিথিলা। সম্পূর্ণ লেখাটি কপি পেস্ট করলাম ।


এই নোট পড়ে খারাপ লাগলে নির্দ্বিধায় আমাকে আনফ্রেন্ড করতে পারেন

আমার ভেতর থেকে প্রচন্ড তাগিদ না পেলে আমি লিখতে বসিনা। ওটা আমার কাজও না। ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতেও আমার আপত্তি নেই যতটা আপত্তি এই লিখার ক্ষেত্রে। এই লিখা যখন লিখছি তখন প্রচন্ড রাগে আমার গা জ্বলছে।

আমি এত ভূমিকা না করে সরাসরি আসল কথায় আসি। স্পা না করলে কি মেয়েরা মরে যাবে? বাঙ্গালী মেয়ারা যথেষ্ঠ রূপবতী। এই রূপ গত কয়েক বছরে ধুম করে জেগে ওঠেনি। তারা আগেও রূপবতী ছিল এখনো আছে। আমি জানিনা যে স্পা তে এমন কি আছে যে তার রূপে এমন বিশেষ কিছু অ্যাড করবে যা না থাকলে তার জীবন চলবেনা? যার কারনে অন্য একজন মানুষের সামনে আধা নগ্ন হয়ে body message করাতে হবে। লজ্জা শরমের মাথা কি কাঁচাই খেয়ে ফেলছি আমরা?

আমাদের মায়েরা ,দাদীরা,নানীরা তো কোনদিন এইসব করেনি। তাতে কি আমাদের বাবারা, নানারা,দাদারা তাদের ছেড়ে চলে গেছে? না তাদের বিয়ে হয়নি? কি ক্ষতি হয়েছে তাদের যারা নিজেদের অন্যের সামনে কাপড় খুলে শরীর মর্দন করান নি?

আমি নিজে মেয়ে মানুষ। আমি খুব ভাল করেই জানি মেয়েরা এত সাজ গোজ কেন করে। খুবই সিম্পল উত্তর। মানুষ তাদের দিকে তাকাবে , প্রশংসা করবে। কার না ভাল লাগে প্রশংসা শুনতে! আমারো ভাল লাগে।কিন্তু আপারা দুনিয়ায় খালি আমরা মেয়েরাই নাই। আমাদের ভাইরাও আছে। সৃষ্টিগতভাবে যারা আপনাদের উপর এবং আপনারা তাদের উপর দূর্বল। কিন্তু এইটা ভাইদের ক্ষেত্রে একটু না অনেক বেশি। এই কথাগুলা বলতে আমার খুবই খারাপ লাগে। অনেক বেশি লজ্জা লাগে এই জন্য যে এত ব্যাখ্যা করে আমার বোনদেরকে এসব আমার বলতে হয়। আমি বাংলায় এসব লিখতে পারবনা।

Most of the man gets sexually aroused when---

আপনি টাইট ফিটিং কাপড় পরেন।
আপনি ওড়না পরেন না/ গলায় ঝুলায় রাখেন/ একপাশে ঝুলায় রাখেন।
আপনি যখন অর্ধস্বচ্ছ কাপড় পরেন।
আপনার পেট/পা/পীঠ যখন দেখা যায়।
আপনি যখন ঠোঁট রাঙ্গান।
আপনি যখন চোখে স্মোকি সাজ পরেন।

আরও শত শত কারন থাকতে পারে।

কি ? মনে হচ্ছে যে ছিঃ ছিঃ ছেলেরা এত খারাপ! তাইনা? The fact is that they are CREATED like this. Do you understand my dear sisters? THEY ARE CREATED BY ALLAAH LIKE THIS.

শুধু আল্লাহ্‌র ভয়/সমাজের ভয়/ ভালত্ব/ সুস্থ বিবেক আছে দেখেই এখনো কোন ভাই এই ধরণের আপাদের রাস্তায় ধরে কষে কষে কয়েকটা চড় বসান নি।[আল’হামদুলিল্লাহ। এই বিপদ আমার উপর আসার আগেই আল্লাহ্‌ আমাকে রক্ষা করেছেন।একবার কি হল, তখনো আমি ঠিকমত হিজাব করিনা, মাথায় একটু আধটু কাপড় দেই। একদিন প্রচন্ড গরমের মধ্যে ক্লাসে গেছি। মাথায় কাপড় দেইনি। আমাদের সাথে সিনিয়র অফিসাররাও ক্লাস করতেন। এঁদের মধ্যে একজন ভাই পুরো ক্লাসের মধ্যে আমাকে এমন ঝাড়ি দিলেন! টিচার ছিল, সব স্টুডেন্ট ছিল। আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম, ক্লাস থেকে বের হয়ে গেছি। অনেক কান্নাকাটি করেছি। ভাইয়া আমাকে বলেছিলেন, "The Jews know our scriptures better than us, but they do not follow.[Inspite of knowing about hijab you don't wear it properly,so] Do you think you are better than that Jew?" এই একটা কথা আমার ভেতরটা কাঁপিয়ে দিয়েছিল। আমি বলেছিলাম হিজাব পরলে আমার কষ্ট হয়, দম বন্ধ হয়ে যায়, এ সি রুমেও ঘামতে থাকি। উনি বললেন, " Did you ask Allaah to help you with this?" আসলেই তো, যার জন্যে হিজাব করছি তাঁর কাছেই তো সাহায্য চাইনি। আমি আর কোন উত্তর দিতে পারিনি ভাইয়াকে। উনি ঠিক কথাই বলেছিলেন আমাকে। হয়ত রুক্ষভাবে বলেছেন,কিন্তু ওই সময় আমার জন্য ওগুলো থাপ্পড়ের কাজ করেছে, আল'হামদুলিল্লাহ এখন তীব্র গরমেও মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে রাখলেও আমার কোন অসুবিধা হয় না। আমি গরম লাগার দোহাই দিই। কিন্তু ওইদিন কি হবে যেদিন সূর্য মাথার এক হাত উপরে থাকবে। আল্লাহ্‌ মাফ করুন। ]

আপারা,আরো কয়েকটা uncensored কথা বলি। এটা জানেন তো যে মানুষ(অধিকাংশ) খুব সহজেই বোর হয়ে যায় আর নতুন কিছু খুঁজতে থাকে যা তাকে আনন্দ দেবে। পশিমাদের মধ্যে হোমসেক্সুলালিটি এত বেশি এর কারন নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন? কেন যেখানে চাইলেই মানুষ আপনার বিছানায় আসতে রাজী সেখানে কেন মেয়ে মেয়ের সাথে ছেলে ছেলের সাথে যেতে চায়? এরা নারী দেহ দেখতে দেখতে ক্লান্ত। এদের রূচি আস্তে আস্তে বিকৃত হয়ে গেছে। এখন তারা নিজেদের মধ্যে থেকেই সংগী খোঁজে। আল্লাহ্‌ মাফ করুন। হেদায়েত দিন।

আপারা, আমার লেখা এলোমেলো হচ্ছে আমি জানি। রেগে আছি তো তাই।
একটা কথা বলি শোনেন। আপনি মানুষকে যা দেখাবেন তা দেখেই তারা আপনার মূল্যায়ন করবে। মানুষের শরীরের সৌন্দর্য এক সময় শেষ হয়ে যায়। তাই আজকে যারা আপনাকে বলছে, তোকে তো দারুন লাগছে/ আপনার ফেসবুকের ছবিতে প্রশংসার পর প্রশংসা করে যাচ্ছে...... ।২০ বছর পরের কথা চিন্তা করেন...এই ছেলেরা তখন ৩৮/৪০ । আপনাদের দেখবে না। ১৬-২৫ দের কেই খুজবে।

কিন্তু আপারা, একটা কথা জানেন? মনের সৌন্দর্য শেষ হয় না। মন জরাগ্রস্ত হয়না। একটা সুন্দর মন, শালীন দেহ সর্ব কালে সর্ব যুগে প্রশংসিত। আজকের বোরকা পরা মেয়েকে দেখলে যেমন আপনার যারা প্রশংসা করে সেই ছেলেরাও মাথা নামিয়ে নেয়,আমার দাড়ি টুপি ওয়ালা ভাইরাও নামিয়ে নেয়। আজ থেকে ২০ বছর পর দেখলেও তারা দৃষ্টি নামিয়ে নিবে, ইনশা’আল্লাহ। আমার এই বোনেরা আজকেই সম্মানিত। কালকেও থাকবে ইনশাআল্লাহ্‌। আর আপনাদের কি হবে? আজকে আপনারা যাদের চোখ জুড়াচ্ছেন কাল তারা আপনার দিকে তাকাবেই না। আর সম্মান??? সেটা আজকেও কেউ আপনাদের করেনা, ভবিষ্যতে করবে কি আল্লাহ্‌ ভাল জানেন।

আপারা, চাকরানী চেনেন??? দাসী চেনেন??? আপনার হলেন পুরুষদের চাকরানী নয়তো মেকাপের দাসী। ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নিয়ে এত সাজ গোজ যে করেন...পরে তো সেগুলো তত কষ্ট করেই ঘষে ঘষে তুলে ফেলতে হয়। কি লাভ এই কৃত্তিমতার?

এই যে একেকজন ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং , ভার্সিটিতে পড়ছেন অথচ নিরেট মূর্খের মত আচরণ কেন করছেন?

আপনার এত এত বিদ্যা আপনাকে কেন রঙ চঙ্গের আশ্রয় নেয়া থেকে বাঁচাতে পারেনা???

কেন অফিসে/অফিসিয়াল কনফারেন্স/কনভোকেশন/নবীন বরণ/ ফেয়ারওয়েলে যাবার আগে আপনার নিজের চেহারায় এত ঘষা মাজা করতে হয়? এসব যায়গার তো আপনি আপনার লেখাপড়ার কল্যানেই যাচ্ছেন তাই না? তাহলে কেন সব কিছু ছাপিয়ে আপনার সাজ গোজ সেখানে প্রাধান্য পাবে???

কি করলেন এত লেখাপড়া করে যা আপনার মানসিকতাকে বদলাতে পারেনি?

দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়েও কেন আপনাকে ছোট ছোট কাপড়, কিছু রঙ চঙ্গের উপর নির্ভরশীল হতে হয়। বলতে পারেন?

আপারা বলেন তো দেখি আপনার এক মাসের পার্লারের খরচ দিয়ে কয়জন ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়ানো যায়? আচ্ছা ধরলাম চালের কেজি ৫০ টাকা। ২০০০ টাকা হলে এক মণ চাল হয়। একটা ছোট পরিবারের ১৫-২০ দিনের খাবার ব্যবস্থা হয়ে যায়। কোনদিন ৫০০ টাকা খরচ করে ১০ কেজি চাল কিনে কোন দরিদ্র মানুষকে দেয়ার কথা ভেবেছেন কখনো? অথচ আপনার পা ঘষে দিলেই আপনি ৫০০ টাকা পার্লারে দিয়ে আসেন। কি আশচর্য! আপনি যখন পা দলাই মলাই করে নিচ্ছে তখন কোথাও কোন সনাবরু না খেতে পেয়ে গলায় দড়ি দিচ্ছে।

আপনি যখন সেজে গুজে বন্ধু বান্ধবের সাথে নবীন বরণ বা ফেয়ারওয়েল এ নাচানাচি করছেন তখন আপনার বোন আফিয়া সিদ্দিকা/ফাতিমেকে প্রতি রাতে ১০ জন মার্কিন সৈন্য ধর্ষন করছে।RAPE. কখনো এদের জন্য আপনার চোখে পানি এসেছে? একবার চিন্তা করুন তো, আপনাকে বানরের মত খঁচায় রাখা হয়েছে যেখানে আপনি সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারেন না, আপনার গায়ে কাপড় পর্যন্ত রাখা হয় নি, আপনার সামনে আপনার দুই সন্তানকে জবাই করা হয়েছে,আপনার একটা একটা করে চুল টেনে টেনে উপড়ে ফেলা হয়েছে, আপনার পেটে গুলি করা হয়েছে, ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হয়েছে, তার সাথে সাথে যখন তখন আপনাকে ধর্ষন করা হচ্ছে। কি ...বেশি বলে ফেললাম???

__________________________________________________________

[ফাতিমার চিঠি।][কপি পেষ্ট করলাম]

একটি হাতে লেখা দলিল সম্প্রতি ইরাকের আবু গারীব কারাগার থেকে উদ্ধার হয়। ফাতেমা ঐ এলাকার একজন খ্যাতিমান মুজাহিদের বোন। আমেরিকান সৈন্যরা কিছুদিন পূর্বে ঐ মুজাহিদের বাড়িতে হটাত হামলা চালায়। কিন্তু তাকে পায় না। তারা তার বোনকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় যেন ঐ মুজাহিদ নিজ থেকে ধরা দেয়।ফাতেমার মূল চিঠিটি এখানে দেয়া হল যা মাফকারাট আল ইসলামে(আরবী নিউজ এজন্সি) ইংরেজী অনুবাদসহ আরবীতে ছাপা হয়েছিল।


ফাতেমার চিঠি

“পরম করুনাময় আল্লাহতা’য়ালার নামে

(হে মুহাম্মদ) তুমি বলো, তিনিই আল্লাহ তিনি এক একক। তিনি কারোর মুখাপেক্ষী নন, তার থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্ম গ্রহন করেননি। আর তার সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ নেয়।(সূরা আল-এখলাস)

আমি আল্লাহর গ্রন্থ আল-কোরআন থেকে হতে এই পবিত্র সূরাটি পছন্দ করেছি কারন এর দারুন প্রভাব পড়েছে আমার উপর এবং আপনাদের সবার উপরে ও বিশ্বাসীদের হদয়ের এক প্রকার ভয় ও শ্রদ্ধা মিশ্রিত বোধের জন্ম দেবে। আমার ভাই মুজাহীদিন আল্লাহর পথে আছে।আপনাদের আমি কি বলবো?

আমি আপনাদের বলছি : আমাদের গর্ভ বানর ও শূকুর জাতীয় লম্পটদের সন্তানে ভর্তি হয়ে আছে। যারা আমাদের ধর্ষণ করেছে। অথবা (আমি) আপনাদের বলতে পারি যে, তারা আমাদের দেহকে বিকৃত করেছে। আমাদের মুখমন্ডল জলসে দিয়েছে এবং আমাদের ঘাড়ে ঝোলানো কোরআনের ছোট কপিটি অযথা ছিড়ে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলেছে। আল্লাহু আকবার, আপনারা কি পরিস্থিতি অনুদাবন করতে পারছেন না? এটা সত্য আপনারা জানেন না আমাদের সাথে কি ঘটেছে। আমরা আপনাদের বোন। আল্লাহ হিসাব নিকাসের সময় ভবিষ্যতে এ সম্পর্কে আপনাদের জিজ্ঞাসা করবে। আল্লাহর কসম কারাগারে আসা পর্যন্ত আমাদের এমন কোন রাত কাটেনি যে রাতে বানর ও শুকুর জাতীয় অমানুষরা আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়েনি। তারা তাদের পূর্ণ স্বাদ মিটিয়ে নিস্তেজ হওয়া অবধি আমাদের দেহকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করতে থাকে। আমরাই তারা যারা আল্লাহর ভয়ে সব সময় সতীত্বকে কে রক্ষা করে এসেছি। আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। আমাদের ধংস করে দিন। তাদের আনন্দ উপকরন হিসাবে আমাদের রেখে যাবেন না। এভাবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর মহাকৃতিত্ব মর্যাদা সম্পন্ন করা হবে। আমাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করুন। তাদের কামান ও উড়োজাহাজ গুলো বাইরে রেখে আসুন। আবু গারীব কারাগারে আমাদের কাছে আসুন। আমি আপনাদের ধর্ম বোন। তারা আমায় একদিন নয়বারেরও বেশী ধর্ষন করেছে। আপনারা কি অনুধাবন করতে পারছেন? চিন্তা করুন আপনাদের এজন বোন ধর্ষিত হচ্ছে। আপনারা কেন ভাবতে পারছেন না আমি আপনাদের বোন? আমার সাথে আরো ১৩ জন মেয়ে আছে। সবাই অবিবাহিত। সবাই সবার সামনে প্রকাশ্য ধর্ষিত হচ্ছে। তারা আমাদের নামায পড়তে দেয় না। তারা আমাদের পোশাকগুলো নিয়ে নিয়েছে। আমাদের কাপড় পরতে দেয়না। আমাদের মধ্যে একজন মেয়ে আত্নহত্যার প্রতিজ্ঞা করেছে। তাই আমি এই চিঠিটি লিখছি। সে নৃশংসভাবে ধর্ষিত হয়েছে। একজন সৈনিক তাকে ধর্ষনের পর তার বুক ও উরুতে আঘাত করেছে। সে অবিশ্বাস্য অত্যাচারের দ্বারা তাকে ভোগ করেছে। মেয়েটি তার মাথা জেলের দেয়ালে সাথে আঘাত করতে লাগল যতক্ষন না তার মৃত্যু হয়, মেয়েটি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না। যদিও ইসলামে আত্নহত্যা নিষিদ্ধ। কিন্তু আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আশা করছি আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। কারন তিনি(আল্লাহ) সবার প্রতি অসীম দয়ালু। ভাই আপনাদের আবারও বলছি আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। তাহলেই আমরা হয়ত শান্তি পাব। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন।


ড. আফিয়া সিদ্দিকা আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্নায়ু বিজ্ঞানী। অসামান্য ধীসম্পন্ন পি.এইচ.ডি ডিগ্রীধারী এ মহিলার সম্মানসূচক অন্যান্য ডিগ্রী ও সার্টিফিকেট রয়েছে প্রায় ১৪৪টি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রন্ডেইস বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে Neurology বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে। তিনি হাফিযে কুর‘আন ও আলিমা। পবিত্র কুর‘আন ও হাদীসে পারদর্শিনী এ মহিলা ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত দ্বীনদার ও পরহেযগার। ইসলামী আদর্শ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি রয়েছে তাঁর স্ট্রং কমিটমেন্ট। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফ.বি.আই পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আল কায়েদার সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথিত অভিযোগে ২০০৩ সালে ড. আফিয়াকে তাঁর তিন সন্তান আহমদ, সুলায়মান, ও মরিয়মসহ করাচীর রাস্তা থেকে অপহরণ করে। পাকিস্তানের কোন কারাগারে না রেখে এবং পাকিস্তানী আদালতে উপস্থাপন না করে পাঁচ বছর ধরে তাঁকে আফগানিস্তানের বাগরাম সামরিক ঘাঁটিতে বন্দী করে রাখা হয়। এরপর চলে তাঁর উপর অমানুষিক শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন। বাগরামে কুখ্যাত মার্কিন কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা বলেছেন, ‘নির্যাতনের সময় একজন নারী বন্দির আর্তচিৎকার অন্য বন্দিদের সহ্য করাও কষ্টকর ছিল.........।

দেখুন আফিয়ার ছবি। অত্যাচারের আগের ও পরের ছবি।

 
জি, আফিয়া ,ফাতিমাদের সাথে এরকমই করা হচ্ছে। যেখানে তারা নিজেদের আব্রু বাঁচাতে পারছেনা সেখানে আপনি নিজের আব্রু বিলিয়ে দিচ্ছেন?

বোন...লজ্জা কর, ভয় কর আল্লাহকে।




------------------------------------------------------------------------


যারা কষ্ট করে লেখাটি পড়লেন সবাইকে ধন্যবাদ । সবার কাছেই আমার অনুরোধ আপনার সব বন্ধুদেরও লেখাটি পড়ান। জোর করে হলেও পড়ান । কারন শুধু আপনি ভাল হলেই হবেনা, ঘুণে ধরা সমাজকে বাঁচাতে হলে সবাইকেই জানাতে হবে। যারা ভুল পথে ছিলেন তারা সঠিক পথের দিশা পাবেন লেখাটি পড়ে। তাই লেখাটি আমাদের গ্রুপের মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন, কিংবা নিজের নাম দিয়ে অন্য কোথাও পোস্টও করতে পারেন, কারো কোন আপত্তি নাই। কারন লেখিকা হাততালি পাওয়ার আশায় পোস্টটি লেখেন নাই। লেখেছেন মানুষকে ভুল পথ থেকে ফেরাতে। তাই সবাই লেখাটি শেয়ার করেন, প্রিয় মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিন

Monday, October 3, 2011

কানিজ আলমাস খানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে হাইকোর্ট !

কোনো মূল ধারার পত্রিকাতে না আসলেও ফেসবুক , ব্লগসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ব্যপকভাবে সমালোচিত হয়েছে পারসোনার ভিডিও কেলেঙ্কারির ঘটনা । সত্তি বলতে, এই ঘটনার সূত্রপাত ও বিস্তার ঘটেছে মূলত ফেসবুক ও ব্লগে । নিজেদের "নারীবাদী" "প্রগতিশীল" বলে বিশেষায়িত করা মূল ধারার মিডিয়ার এমন নির্লিপ্ত ভুমিকা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন । ফেইসবুক ও ব্লগের কল্যাণে মিডিয়ার ধামাচাপা দেবার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে । আরেকবার প্রমানিত হলো এখন বিকল্প মিডিয়া কতটা শক্তিশালী !

মূল কোথায় আসি , পারসোনার বনানী শাখায় গোপন ক্যামেরায় মহিলাদের ভিডিওচিত্র ধারণ করায় কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না জানতে চেয়ে পার্লারটির স্বত্বাধিকারী কানিজ আলমাস খানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার জনস্বার্থে লিগ্যাল নোটিশটি পাঠিয়েছেন ঢাকা জজ কোর্টের ৪ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহফুজ হাসান, আরিফুল হক, নুরুজ্জামান ও ইলিয়াস হুসাইন।

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘কানিজ আলমাস খান বিউটি পার্লারে রূপচর্চার আড়ালে রূপচর্চার কক্ষগুলোতে গোপনে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মহিলাদের আপত্তিকর ভিডিও চিত্র ধারণ করে আসছেন। যা জনজীবনে ভীতিকর প্রভাব সৃষ্টি, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে।’

পারসোনার এ ধরনের কার্যকলাপ তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর ৬৭ ধারা এবং ৫৭ ধারার অপরাধ উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়, উক্ত ধারায় এ ধরনের অপরাধে ১০ বছর করাদন্ড ও ১ কোটি টাকা অর্থদন্ডের বিধান রয়েছে।

নোটিশে কানিজ আলমাস খানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে না তা আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।

উক্ত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে জনস্বার্থে কানিজ আলমাস খানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে একজন শিল্পপতির চিকিৎসক স্ত্রী রাজধানীর বনানীর ১১ নম্বর রোডের ৭৬/১ নম্বর ভবনে পারসোনায় স্পা করাতে যান। নিয়ম অনুযায়ী তিনি সেখানে নির্দিষ্ট কক্ষে পোশাক পরিবর্তনের একপর্যায়ে গোপন ক্যামেরা লক্ষ্য করেন। এ নিয়ে সেখানে ব্যাপক হট্টগোল শুরু হলে গুলশান থানার পুলিশ গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও চিত্রসহ কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক জব্দ করে।

পারসোনার আটক কর্মচারীরা জিজ্ঞাসাবাদে গোপন ক্যামেরায় আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ করার কথা যথারীতি অস্বীকার করেন।

Sunday, October 2, 2011

আমরা পারসোনা এবং কানিজ আলমাস কে ঘৃণা করি

যেখানে টাকার লোভে মানুষ হারিয়েছে মনুষ্যত্ব, বিবেককে করেছে গৃহ বন্দি। আজ বুক উঁচিয়ে প্রচার করছে নগ্নতাই অশ্লীলতা নয়। এ শ্রেণীর মানুষই আজ নারীকে বানিয়েছে পণ্য।নারীকে নিয়ে করছে খেলা। নারী স্বাধীনতার নামে নারীকে করছে মানসিক ও শারীরিক ভাবে বস্ত্রহীন।

কানিজ আলমাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আজ নতুন নয়। এর আগেও অনেক অভিযোগ উঠেছিল কিন্তু ছিলো না প্রমান। আজ প্রমান মিলেছে মুখোশ খুলেছে এক মক্ষীরানি কানিজের।

অনেকে বুঝে ফেলেছেন কেন লেখার বিষয়বস্তু কানিজ আলমাস। নাহ কানিজ নয় ঘটনা মূলত তার প্রতিষ্ঠান “পারসোনা” নিয়ে।

কি ঘটেছিলো পারসোনার বনানী শাখায়ঃ
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর, পারসোনার বনানী শাখার উদ্বোধন হয়। এরপর থেকে সৌন্দর্য পিয়াসী নারীরা এখান থেকে নিজেদের রাঙিয়ে নিতে থাকেন।

গতকাল ঘটে একটি বিপত্তি। জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালের এক নারী চিকিত্সক পারসোনার বনানী শাখায় স্পা করাতে যান। ওই ভদ্রমহিলা একটি বিশেষ কক্ষে স্পা করাতে চাইলে তাকে আলাদা একটি কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রথমে পোশাক পরিবর্তন করে নির্ধারিত পোশাক পরতে বলা হয়। পোশাক পরিবর্তন শেষে তিনি ওই কক্ষে একটি গোপন ক্যামেরা আবিষ্কার করেন। পরে ক্যামেরা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে পারসোনা কর্তৃপক্ষ একেক সময় একেক রকম কথা বলতে থাকেন। খবর পেয়ে নারী চিকিত্সকের স্বামী ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হন। পরে পারসোনা কর্তৃপক্ষ ও তাদের মধ্যে ব্যাপক হট্টগোল হয়। খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, ওই নারী চিকিত্সকের চাপের মুখে পারসোনা কর্তৃপক্ষ গোপন ক্যামেরার বিষয়টি স্বীকার করে। পরে রেকর্ডকৃত অংশটুকু নারী চিকিত্সককে দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করে। পরে রেকর্ডকৃত অংশ একটি কম্পিউটারের মাধ্যমে লোড করার সময় পারসোনার দুই পুরুষকর্মী তাদের নিজেদের পেনড্রাইভে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে বিষয়টি টের পেয়ে ওই নারী চিকিত্সকের স্বামী তাদের কাছ থেকে ভিডিওকৃত অংশটুকু নিয়ে নেয়।এরপর পুলিশ আসলে একটি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ও কম্পিউটার হার্ডডিস্ক জব্দ করেন।পারসোনার মালকিন কানিজ আলমাস খান মিডিয়াকে জানান,‘একজন ইলেক্ট্রিশিয়ানের ভুলের কারনে সিসি ক্যামেরাটি সামান্য ঘুরে যায় ফলে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি ঘটে’ অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

“এটা হলো মোটামুটি ঘটনার সারসংক্ষেপ”।

পুলিশের বক্তব্যঃ
“ঘটনাস্থলে যাওয়া গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান জানান, পুলিশ যাওয়ার আগেই পারসোনা কর্তৃপক্ষ ভিডিও ক্যামেরাটি খুলে ফেলে। পারসোনার ভেতরে গোপন ক্যামেরার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ওই নারী এ ব্যাপারে অভিযোগ করলে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “

আমি ভাই এত কথা বুঝি না। আমার কথা যেখানে চোর পুলিশের চোখের সামনে আমার ঘর চুরি করছে সেখানে আমাকে আবার চোরের নামে নালিশ করতে হবে কেন?? কই আজ তো জগন্নাথ বা কোন দাবী আদায়ের আন্দোলন, বা তেল-গ্যাস নিয়ে কোন আন্দোলন হলে পুলিশ স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলা করে, তাহলে এমন একটি ঘৃণ্য কাজে কেন আবার অভিযোগ করতে হবে??
আজ যদি কানিজ আলমাস পুলিশ ও সকারের আমলাদের ম্যানেজ করতে পারেন তাহলে কাল পুলিশ মাস্ট রিপোর্ট দিবে ভিডিও তে কিছু পাওয়া যায় নি।তখন আপনারা কি বলবেন??

কানিজ আলমাসের বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ ছিলো। কি অভিযোগ তা জানার আগে একটু কানিজ আলমাস সম্পর্কে জেনে আসি। সৌন্দর্য সচেতন, ফ্যাশনেবল নারীরা রূপচর্চা, মেকআপের জন্য পারসোনাকে স্টাইল আইকন মানেন। এর কর্ণধার কানিজ আলমাস ’বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০০৯’ এর পাঁচজন সেরা ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের একজন। তিনিও বিজনেস আইকন হয়ে উঠেছেন।
কিন্তু তার এই বিজনেস আইকন হয়ে উঠার পিছনে শুধু পারসোনাই নয়, রয়েছে আরও হরেক রকম ব্যাবসা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, যারা পারসোনাতে সেবা নিতে যান তাদের নগ্ন বা অর্ধনগ্ন শরীর গোপনে ভিডিও করে ব্লাকমেইল করার। এ ছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারের সুন্দরী মেয়েদের ফুসলিয়ে ও অর্থ লোভ দেখিয়ে বিত্তবানদের শয্যাসঙ্গী হতে বাধ্য করেন। সোজা বাংলায়, কল গার্ল সাপ্লাইয়ার। কাল তার কিছু মাত্র প্রমান মিলেছে।
বিত্তবানদের ও সমাজের প্রভাবশালী দের সাথে উঠা বসার কারণে কেউ এসবের প্রতিবাদ ও করতে পারে না। জানি না এখন পর্যন্ত কত গুলো মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে এই নব্য পর্ণ ব্যাবসায়ী।

এবার আগের প্রসঙ্গে ফিরে যাই।
গতকাল নিউজটি প্রচার হয় মূলত ফেসবুকে “বিকল্প মিডিয়া” নামক পেজ থেকে। এরপর সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সবাই খবরটি ছড়িয়ে দেয়। এরপর বিক্ষুব্দ মানুষ পারসোনার ফেসবুক পেজে এ ঘটনার তিব্র নিন্দা জানাতে থাকলে তারা সবার পোস্ট রিমুভ মারতে থাকে।আমাকে তারা ব্যান করেছে। পরিশেষে ব্যাবসায়িক সম্মান রক্ষার্থে তারা পেজটি বন্ধ করে দেয়। মূলত এর মাধ্যমে তারা প্রমান করলো, পার্লারের ব্যাবসার আড়ালে তারা কি ব্যাবসা করছে?? আজকের অনেক পত্রিকায় সংবাদটি এসেছে। আমরা যখন আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষার জন্য হিডেন ক্যামেরা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করছি তখনি জানা গেলো নারীদের একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানে এমন ন্যাক্কারজনক কাজ চলছে। নারী হয়ে নারী দেহ নিয়ে ব্যাবসা করার এ কেমন খায়েস??

ব্লগার জিকসেস, পারসোনার ওয়ালে জানতে চেয়েছিলেন,
//একজন ইলেক্ট্রিশিয়ানের ভুলের কারনে সিসি ক্যামেরাটি সামান্য ঘুরে যায় ফলে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি ঘটে ।- কানিজ আলমাস//
তোমার কি ধারনা মানুষ ঘাষ খায়? ট্রায়াল রুমে সিসি ক্যামেরা থাকবে কেন? আর অন্য রুম থেকে ক্যামেরা ঘুরে ট্রায়াল রুমে আসবে?

বিনিময়ে তাঁকে ব্যান খেতে হলো। কনজিউমার হিসাবে আমরা কি তোমাদের কাছে জবাব চাইতে পারি না??

ইলেকট্রিসিয়ানের ভুলের কারণে ক্যামেরা ঘুরে যাওয়ার বক্তব্যের আগে এটা বোঝা জরুরী, বস্তুত ক্যামেরাটিই ভুল জায়গায় ছিল। যদি এ ধরণের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাজনিত কারণে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকে তবে তা এনট্র্যান্স বা প্রবেশ পথে, রিসিপশনে, ক্যাশ কাউন্টারে থাকতে পারে। একটি বিউটি পার্লারে স্পা কক্ষে অথবা পোষাক পাল্টানোর কক্ষে বা এর আশেপাশের কোন কোণে যে কোন ধরণের ক্যামেরা বসানোর উদ্দেশ্য কোনভাবেই শুভ নয়, তা সে ক্যামেরা যে দিক ঘুরিয়েই বসানো হোক না কেন।

এরপর আসা যাক ক্যামেরা মনিটরিংয়ের বিষয়ে। ইতিমধ্যে জানা গেছে, পারসোনার পুরুষকর্মীরা তড়িৎ ভিডিও ফুটেজ পেন ড্রাইভে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তাহলে ওই পুরুষ কর্মীরা কানিজ আলমাসের সেই তথাকথিত ’অনিচ্ছকৃত ভুল’ বিষয়ে ভালভাবেই অবগত ছিলেন। প্রতিষ্ঠিত ও অভিজ্ঞ নারী ব্যবসায়ি কানিজ আলমাস এই পোষাক পরিবর্তন কক্ষে বসানো ক্যামেরা মনিটরিংয়ের জন্য পুরুষকর্মী নিয়োগ দিয়ে নিশ্চিতভাবে আরো একটি ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ করেছিলেন।

কিন্তু কিছু প্রশ্নের উত্তর খুজছে এ অশান্ত হৃদয়--

এ ধরনের কয়টি ক্যামেরা বসানো পাওয়া গেছে পারসোনার বনানী ব্রাঞ্চে পোষাক পরিবর্তন কক্ষে বা স্পা কক্ষে?
যেহেতু ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে ক্যামেরা বসানো হয়েছে, তাহলে একাধিক ক্যামেরা বসানো থাকার কথা!
ক্যামেরাগুলো কবে বসানো হয়েছে?
ক্যামেরা ঘুরে গেছে তা এতো তাড়াতাড়ি কানিজ আলমাস নিশ্চিত হলেন কিভাবে?
ক্যামেরা ইলেকট্রিসিয়ানের দোষেই ঘুরেছে এটাই বা কানিজ আলমাস নিশ্চিত করে বলছেন কিভাবে?
তাহলে কানিজ আলমাস এটাও জানাক, ক্যামেরাগুলো ঠিক কবে ও কখন থেকে কত ডিগ্রী কোণে ঘুরে গেছে?
যদি ক্যামেরা আজকের আগে ঘুরে গিয়ে থাকে, তাহলে তার কর্মীরা এখন পর্যন্ত কতগুলো আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ গোপনে সংগ্রহ করেছে, তাও কানিজ আলমাস আমাদের জানাতে পারেন।
পারসোনার অন্যান্য ব্রাঞ্চগুলোতেও কি একই ধরনের কক্ষে ক্যামেরা বসানো আছে? সেখানকার ক্যামেরাগুলো কত ডিগ্রী ঘুরে আছে, তা কানিজ আলমাসের কাছে প্রশ্ন।
সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত নিরাপত্তাজনিত ফুটেজগুলো যে সব কর্মীরা পর্যবেক্ষণ করে, তাদের তত্বাবধান করে কে?
নিরাপত্তাজনিত কারণে বসানো সিসি ক্যামেরা দিয়ে ধারণকৃত ভিডিও রেকর্ডগুলো কি পরবর্তীতে নিয়মিত/অনিয়মিতভাবে রিভিউ হতো?
কে রিভিউ করতো?
পোষাক পরিবর্তন রূমের আশেপাশে থাকা সিসি ক্যামেরায় আসলে কি ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হতো পারসোনার?

উত্তরগুলো সন্তোষজনক না হলে বুঝতে হবে, পারসোনা ’ইচ্ছাকৃতভাবে’ এ ধরণের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছে। তাহলে সরল প্রশ্ন- কী করা হতে পারে এইসব ভিডিও ফুটেজ দিয়ে? উত্তরটা অবশ্য ভয়াবহ। এইসব ভিডিও ফুটেজ অবধারিতভাবে পর্নগ্রাফি হিসেবে সরবরাহ হয়।

তবে এ কথা মনে রাখতে হবে, এই ধরনের অপরাধী যে শুধু পারসোনা তা ভাবা ভূল হবে। অনন্য পার্লার গুলো নিশ্চয় এমন হীন কাজ করতে পারে। বাংলাদেশের মিডিয়া কখনোই এসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে যায় না, তাই সংবাদ গুলো বিস্তারিত না আসাই স্বাভাবিক। আপনি আপনার প্রিয় জনদের সচেতন করুন। তা না হলে কোনদিন হয়তো আপনার প্রিয়জনের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার খবর আপনাকে শুনতে হতে পারে।

আমাদের দাবীঃ
পুলিশ প্রশাসনকে এখনি পারসোনার সকল আউটলেট সিজ করে তল্লাশির নির্দেশ দেওয়া হোক।
দেশের সকল বিউটি পার্লার সার্চ করা হোক। এ ক্ষেত্রে সকল বিউটি পার্লারকে সম্ভাব্য অপরাধী মনে করতে হবে।
পারসোনার ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
নাহ আমরা কোন কানামাছি বা বৌছি খেলার মতো রঙ্গ করতে নামিনি। আমরা আজ কিছু বিকৃত মানসিকতার মানুষের শাস্তির বিধান নিশ্চয়তার দাবী নিয়ে এসেছি। নাহলে আবার শহীদ মিনার আমাদের ডাকছে, এ কথা মাথায় রাখতে হবে।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। সচেতন নিজে হোন, পাশের জনকে সচেতন করতে আপনার ফেসবুক ওয়াল, পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করুন।




লিখেছেনঃ রিয়াদ ইসলাম

একজন অন্তর হতে আহত ছাত্রের লাঞ্চিত হবার গল্প

পরিচয় টি আগে দিয়ে নেই!

ছোট কাল হতেই সবার হতে একটু আলাদা প্রকৃ্তির ছিলাম। তখন থেকেই ভাল গান গাইতাম। স্কুল কলেজ এ প্রতিনিয়ত এখন এসবের সাথে জড়িত আছি। মানুষের অনেক কিছুতেই ঝোক থাকে কিন্তু আমার ক্ষেত্রে ছিল ব্যতিক্রম। আমি সপ্তম শ্রেনী হতেই কম্পিউটার আর ইন্টারনেট এর প্রতি ঝুকে পড়েছিলাম। এখন আমি তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কাজ করছি। ভবিষ্যতে দেশের জন্য বড় কিছু করার দৃড় প্রতিজ্ঞ আমি। এখন আমি ফ্রিল্যানসিং, আউটসোর্সসিং, ব্লগিং, তথ্য ও প্রযুক্তি, সামাজিক যোগাযোগের সম্প্রসারন, সাথে স্পো্কেন ইংলিশ কোর্স করছি।

শুধু স্ব্প্ন দেখছি না বাস্তবায়নের দিকে ধাবিত হবার লক্ষে এগুচ্ছি। নিজের অনেক বন্ধু কে তথ্য ও প্রযুক্তি জ্ঞাণ প্রদান করেছি। এবং আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অন্তর্গত সিদ্ধেশরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর বিবিএ ১ম বর্ষ এর একজন ছাত্র।

আমাদের ১ম বর্ষ এর বোর্ড পরীক্ষা ২৮ শে সেপ্টেম্বর এ শুরু হয়েছে। আমাদের হতেই বিবিএ পদ্ধতি চালু  হয়েছে। প্রথম পরীক্ষা হতেই আমাদের প্রশ্ন এত টাই কঠিন হয়েচে যে বলা বাহুল্য। আজ ২ অক্টোবর সকাল বেলা তে আমার এক পরীক্ষার্থী বন্ধু কে জোড়া পূর্বক বাস হতে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে তার পরিক্ষার হলে প্রবেশে ৩০ মিনিট বিলম্ব হয়েছে। বাস টির নাম ছিল "অনাবিল" নাম এ সিটিং সার্ভিস কিন্তু তুরাগ এর মত লোকাল এর মত যাত্রি ওঠায়। বন্ধু এর এই রুপ অপমান আমি সইতে পারলাম না।

উদ্দেশ্য ছিল কয়েকটা অনাবিল এর বাস থামিয়ে সুপারভাইজার এর সাথে দেখা করব কথা বলব যে কেন এমন করা হল। একটা থামানোর পর কোন ধনাত্মক কিছু খুজে পেলাম না বাস ভাঙ্গা ছাড়া। কিন্তু মনে সহমর্মিতা ছিল তাই কাউকেই বাস ভাংতে উদ্বুদ্ধ করি নি, কারন এটা ছিল উদ্দেশ্য বহির্ভুত কথায় কাজ হলে এসবের দরকার পরে না! আরও ৬-৭ তা অনাবিল বাস আটকালাম। যাত্রি রা আমাদের অপর চেচালো মেনে নিলাম। একজন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে কথা বললাম উনি বলল একটা বাস পাশ করে রেখে বাকি গুল ছেড়ে দিতে, উনাদের হাতে দেশের জান মাল তাই করলাম তিনি যা বললেন।

বাস ২ টা রেখে বাকি গুলো ছেড়ে দিতে বললাম, এমন সময় এক অনাবিল বাসের ড্রাইভার গালাগালি করলো আমাকে করার পর চুপ করে ছিলাম। কিন্তু সে সুযোগে বাবা-মা নিয়ে গালি দিল, যা সইবার ক্ষমতা আমার দেহে ছিল না। বাস এ উঠে লাগালাম ৩ টা সজোরে থাপ্পর। আমার দোষ এটাই এমন সময়  RAB পুলিশ আমাকে আমার এক বন্ধু কে ওকে মারার সময় হাতে নাতে ধরল। দুইজন কেই অনেক জোড়ে থাপ্পর দিল।

আমরা কারো সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করিনি করতে দেই ও নি। রাস্তাইয় তারা আমাদের সাথে কুকুরের মত করল। ছিন্তাইকারী দের মত কলার ধরে সবার সামনে টানল। ৪০-৫০ জন ছাত্রের মধ্যে মাত্র ৫ জন ধরে সে কি বীরত্ব। সবচেয়ে খারাপ লাগল বাস এর যাত্রি রা আমাদের দুষলো। অবাক লাগল। লাঠি দিয়ে মারল মালিবাগ সুপার মার্কেট এর সামনে। জানের আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এত মারে নি। ধমকাচ্ছিল RAB-৩ এর অফিস এ নিয়ে আমাদের ধুমাবে। দেখেন বাস ভাঙ্গি ও নাই আগুন এ দেই নাই। অনেক ভাবে বুঝালাম আম্রা যে এমন না কিন্তু তারা মানতে নারাজ। গাড়ী তে করে কমিউনিটি সেন্টার এর সামনে নিয়ে গেল। অভিভাবক দাক্তে বলল ডাকলাম, আসার আগে বলে যে ছাত্র সংসদ এর কাউকে চিনি কিনা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এর। তারপর সেক্রেটারিকে ফোন দিলাম ছাত্রলীগ এর। আমার বন্ধু একজন রমনা থানা ছাত্র লীগ এর সদস্য । ও ঘটনাস্থলে আসতে দেরি নাহলে আগেই ছেরে দিত ওরা। পরে উনারা মুচলেকা নিল খালি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিল তারপর ছাড়ল।

আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে ছাত্র রা আজ ও কত নিরীহ। মরে যেতে মন চাইছিল। দেশে এখন ছাত্র দের সাথে বৈষম্য করা হয়, তাদের খারাপ চোখে দেখা, আমাদের আন্দোলন এ বাধা দেয়া হয়, যে কারনে বাস থামালাম সেই বাস এর ব্যাপার এ তারা কিছু করল না। কারন আমরা নিরীহ। তারা জানে যে আমরা সইতে পারি। কিন্তু সহ্য ক্ষমতা সবার এক থাকে না।  ছাত্র আজ ও দমিয়ে রাখা হয় কারন  আমরা নিরীহ। আমার আর ভাল লাগেনা। রাজনীতি করার ইচ্ছা না থাকা সত্তেও সমাজ জোর করছে। আজ আমি ছাত্র লীগ এর নেতা হলে ছোবার ও সাহস পেত না। কিন্তু আমরা নিরীহ। কারন  আমি নিরীহ

আপনারা ই বলুন আমি এখন কি করব। এখন মনে হচ্ছে এ দেশ টার মুর্খ থাকাই উচিত। যেখানে ছাত্র দের পিটিয়ে মারা হয়, তারা আন্দোলঙ্করলে তাদের নামে দ্রুত বিচার আইন এ মামলা দেয়া হয়, অহেতুক লাঞ্চিত করা হয়, এ দেশ মুর্খ থাকাই ভাল। অভদ্র তার ই মুল্য আছে এখানে ভদ্রতার মুল্য নেই।

এ ব্যপারে আমার কোন দোষ গুন ধরা পরলে আমাকে বলবেন। 

আমি এ ব্যপারে অ্যমিনেস্টি ইন্টারনেশনাল এবং মানবাধিকার কর্মী দের দৃষ্টি আকর্ষন করব। বীর দের রক্তে লিখা মাটি তে জন্মেছি। মরলে ও বীরের মতই মরব।

আপনাদের অভিমত জানান।

লিখেছেনঃ ব্লগার

Saturday, October 1, 2011

আপনার মা বোন পারসোনার হার্ড ডিস্কে নেই তো?

পারসোনাতে আমাদের অনেকেরই মা বোন যায় সাজার জন্য। পারসোনার সাজের উপর গর্বও করেন। এতদিন পর্যন্ত তারা পারসোনাকে ভালবেসেছিলেন। তাদের এই ভালবাসা নিয়ে পারসোনা এবং কানিজ আলমাস তাদেরকেই ব্ল্যাকমেইল করে। জঘন্য।

কাল রাতে গুলশান থানায় পারসনার ৪/৫ জন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এইসব ভিডিও ক্লিপ দিয়ে পরবরতিতে ঐসব মহিলে/মেয়েদের ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আবার অনেককে দিয়ে প্রভাবশালীদের মনোরঞ্জনের ব্যবস্তা করেছে। পারসনার কম্পিউটার চেক করে সমাজের অনেক নামি দামি মহিল ও অনেক নামকরা সেলিব্রিটির ভিডিও ক্লিপ পাওয়া গেছে। আমাদের মা বোনের নিস্পাপ ছবি কি পারসোনার হার্ড ডিস্কে আছে? যদি থেকে থাকে তাহলে, আমি পুলিশ কে অনুরোধ করবো, পারসোনার হার্ড ডিস্কের ভিডিও, নিজেদের হেফাজতে খুব ভাল করে রাখুন। কোন মতে যেন লিক না হয়। কারন আমাদের পুলিশ মহোদয়রা এই ছবি নিয়েও ব্যাবসা করতে পারে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১০ ধারায় বলা আছে, 'যৌন পীড়ন, ইত্যাদির দণ্ড'।

সেখানে বলা আছে, "যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে তাহার যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তাহার শরীরের যে কোন অঙ্গ বা কোন বস্তু দ্বারা কোন নারী বা শিশুর যৌন অঙ্গ বা অন্য কোন অঙ্গ স্পর্শ করেন বা কোন নারীর শ্লীলতাহানি করেন তাহা হইলে তাহার এই কাজ হইবে যৌন পীড়ন এবং তজ্জন্য উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বছর কিন্তু অন্যুন তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷"

এই বিষয়ে জনমত গড়ে তুলতে হবে। পারসোনার হার্ড ডিস্কের ভিডিও যেন কোন ভাবেই ইন্টারনেটে না ছড়ায় সে দিকে নজর দেবার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের অনুরোধ করছি। কারন এই ব্যাপারটির সাথে হাজার হাজার নিস্পাপ মা বোনের সম্মান জড়িত।

নিজ দায়ীত্বে আমাদের উচিৎ সবাইকে সচেতন করতে হবে। যতদূর সম্ভব খবরটা ছড়িয়ে দেয়া। কানিজ আলমাসের আসল চেহারা সবাই চিনে নিক। এই বিষয়ে জনমত গড়ে তুলতে এই পেজে লাইক দিতে পারেন। অবশ্যই কানিজ আলমাস এর
বিরুধে মামলা করা উচিত। কানিজ আলমাস শাস্তি দেওয়া হোক।



লেখাটি লিখেছেনঃ তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী

সিলেটে ‘বার্গার কিং’-এর আড়ালে ‘সেক্স মিশন’


ছোট ছোট বুথ। পাশাপাশি দু’টি টুল। চারদিকে রঙিন গ্লাস। রয়েছে থাই উডও। এরকম কয়েকটি বুথ। বুথের আগে ছিল বিছানা। বেশি দৃষ্টিকটু। এ কারণে হলো পরিবর্তন। পরিবর্তন করে করা হয় ছোট ছোট বুথ। এই বুথের ভাড়া ঘণ্টায় ৬০০ টাকা। বুথের ভেতরে কিছুই নেই। আছে পাশাপাশি দুটি চেয়ার। একটি ছোট টেবিল। নাম ‘বার্গার কিং’।

  সিলেট শহরের উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীদের কাছে বার্গার কিং এক নামেই পরিচিত। ৬০০ টাকা ঘণ্টায় ভাড়া নিয়েই এখানে প্রেমিকাকে নিয়ে যা ইচ্ছা তা করা যায়। স্রেফ রেস্টুরেন্ট ভেবে প্রেমিকের হাত ধরে ওখানে উঠেছেন অনেক তরুণী। কিন্তু ভেতরে গিয়ে অনেকেই হয়েছে প্রতারিত। পরে সব হারিয়ে কেঁদে কেঁদে বের হতে দেখা যায় অনেক তরুণীকেই। আর ওখানে যারা যেতেন তাদের বেশির ভাগই স্কুল কিংবা কলেজ ছাত্রী। ভেতরে সবকিছু ঠিকঠাক থাকায় প্রেমিকের হাতেই বহু মেয়ে সম্ভ্রম হারিয়েছে।

  এমনটা জানিয়েছেন খোদ বার্গার কিংয়ের আশপাশের ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, যেসব মেয়েরা এখানে যাতায়াত করতো তারা ভালো পরিবারের। সবাই স্কুল-কলেজের পড়ুয়া মেয়ে। অভিভাবকদের ফাঁকি দিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে এখানে এসে তারা হারিয়েছে সবকিছু। বুথের ভেতরে প্রেমিকের নির্যাতনে তারা সব কিছু হারানোর পর সম্মানহানির ভয়ে মুখ খুলেননি। নীরবে সয়ে গেছেন সবকিছু। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তারা বার বার রেস্টুরেন্টের মালিককে বললেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। গত দুই দিন আগে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা আকস্মিক এই রেস্টুরেন্টে ঢুকে পড়েন। এ সময় তারা বুথের ভেতরে অস্বাভাবিক অবস্থায় যুবক-যুবতীদের দেখতে পান।

  ব্যবসায়ীরা জানান, যে অবস্থায় তাদের পাওয়া গেছে তা সিলেটে কল্পনা করা যায় না। এ দৃশ্য দেখে অনেক ব্যবসায়ীরা মাথা ঠিক রাখতে পারেননি। ব্যবসায়ীদের রোষানলে পড়ার হাত থেকে সিলেটের আলোচিত এই বার্গার কিং দুই দিন থেকে তালাবদ্ধ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের আগে বার্গার কিংয়ে বুথ ছিল না। ছিল বিছানাপাতি। ফুসলিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে এসে এখানে সর্বনাশ করা হতো। এভাবে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করা হয় বলে ধারণা করেন তারা। এর বাইরেও কিছু কিছু জুটি এখানে নিয়মিত যাতায়াত করতো। তারা নিরাপদ ডেটিং কিংবা সেক্স মিশনের নিরাপদ স্থান হিসেবে ‘বার্গার কিং’কে ব্যবহার করতো। বুথ ব্যবহারকারী এক যুবক জানান, এখানে সাইবার ক্যাফের মতো ছোট ছোট বুথ বানিয়ে ভাড়া দেয়া হয় আগত জুটিদের। যাদের বেশির ভাগই স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী।

  ঘণ্টা ৬শ’ টাকা হারে ভাড়া নির্ধারণ করে এসব রুম বরাদ্দ দেয়া হয় তাদের। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে টিনেজাররা অনৈতিক কাজে ব্যবহার করছে এই বুথগুলোকে। জিন্দাবাজারস্থ ‘বার্গার কিং’ ফাস্টফুডের দোকানে অনেকদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল এমন অভিযোগ ছিল জিন্দাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির কাছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এর আগেও বেশ কয়েকবার এই প্রতিষ্ঠানের মালিককে সতর্ক করলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। মঙ্গলবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লায়েছ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক এহছানুল হক তাহের গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড।

  এ ব্যাপারে বার্গার কিংয়ের স্বত্বাধিকারী রোটারিয়ান একেএম শামসুল হক দীপু সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠানটি তার নিজের হলেও তিনি এটি পরিচালনা করেন না। লোক দিয়ে পরিচালনা করায় তারা ভুল করে ফেলতে পারে। কিন্তু তিনি স্বীকার না করলেও প্রতিষ্ঠান আজ থেকে বন্ধ করার ঘোষণা দেন। কিন্তু তার এই অভিযোগের বিরোধিতা করে সিলেট চেম্বারের পরিচালক ও জিন্দাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লায়েছ উদ্দিন বলেন, প্রতিষ্ঠানটি তিনি নিজেই পরিচালনা করেন। এবং এসব কাজে তার সহযোগিতা রয়েছে। না হলে তাকে বার বার সতর্ক করা সত্ত্বেও এরকম কর্মকাণ্ড পরিচালনা হওয়ার কথা নয়।                                                                          

  জিন্দাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক তাহের জানান, সিলেট একটি পবিত্র এলাকা। এখানে এরকম কর্মকাণ্ড ব্যবসায়ীরা মেনে নেননি। তিনি জানান, বার্গার কিংকে স্রেফ রেস্টুরেন্ট মনে করে অনেক টিনেজ মেয়ে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে উঠতো। উঠার সময় হাসি মুখে উঠলেও নামার সময় কেঁদে কেঁদে নীরবে চলে যেতো।

  এটা শুধু সিলেটেই হচ্ছে না। এটা বর্তমানে বাংলাদেশের সব বড় শহরের ছবি।  একটি মেয়ে ধর্ষিতা হলে সে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরে।তার আন্তবিশ্বাস চলে যায়।কাউকেই সে বিশ্বাস করতে পারে না এমনকি আন্তিয় স্বজনদেরও না। সমাজকে সে এই ঘটনার জন্য দোষ দিতে থাকে এবং  আত্নহত্যার দিকে এগিয়ে যায়।                                                                                                        

  মেয়েদের উচিত এই ব্যাপারে আরো সচেতন হওয়া।সব সময় নিজের প্রিয়জনকে বিশ্বাস করবেন না। নিজেকে নিরাপদ রাখতে চেষ্টা করুন। বিশেষত teenage মেয়েরা। এই রকম একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জীবন ধ্বংশ করে দিতে পারে।এখন কিন্তু অধিকাংশ ধর্ষণই ঘটে BOY FRIEND নামক বস্তু দ্বারা।

"Persona" The Culprit Of Making Pornography



সৌন্দর্য সচেতন, ফ্যাশনেবল নারীরা রূপচর্চা, মেকআপের জন্য পারসোনাকে স্টাইল আইকন মানেন। বলতে গেলে পারসোনা একটি দেশিয় ব্র্যান্ড [ওয়েব সাইট]। এর কর্ণধার কানিজ আলমাস ’বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০০৯’ এর পাঁচজন সেরা ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের একজন। তিনিও বিজনেস আইকন হয়ে উঠেছেন। ছুটির দিন, ঈদ উৎসব ছাড়াও পারসোনার প্রতিটা ব্রাঞ্চে তরুণী থেকে পঞ্চাশোর্ধ নারীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় নিত্যদিনই। এমনকি ভীনদেশি নারীরাও আসেন। ঢাকার গুলশান, বনানী, মিরপুর, উত্তরা, ধানমণ্ডিতে পারসোনার বড় বড় আউটলেট রয়েছে। এ বছর চট্টগ্রামেও পারসোনার ব্রাঞ্চ উদ্বোধন হয়েছে। সেই পারসোনার বনানী ব্রাঞ্চে গ্রাহক-পারসোনা কর্মচারী ও পুলিশ মিলিয়ে একটা হৈচৈ পরিবেশ টিভি সংবাদে প্রচারিত হতে দেখে আঁৎকে উঠেছে সবাই! বিশেষত নারীরা! 
ফেসবুক গ্রুপ বিকল্প মিডিয়াসাংবাদিক Nuruzzaman Labu এর সৌজন্যে বিস্তারিত সংবাদ ছড়িয়ে দিয়েছে অনলাইন কমিউনিটিতে। জানা যায়,
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসক পারসোনার বনানী শাখায় স্পা করাতে যান। ওই ভদ্রমহিলা একটি বিশেষ কক্ষে স্পা করাতে চাইলে তাকে আলাদা একটি কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রথমে পোশাক পরিবর্তন করে নির্ধারিত পোশাক পড়তে বলা হয়। পোশাক পরিবর্তন শেষে তিনি ওই কক্ষে একটি গোপন ক্যামেরা আবিষ্কার করেন। পরে ক্যামেরা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে পারসোনা কর্তৃপক্ষ একেক সময় একেকরকম কথা বলতে থাকেন। এর মধ্যে খবর পেয়ে নারী চিকিৎসকের স্বামী ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হন। পরে পারসোনা কর্তৃপক্ষ ও তাদের মধ্যে ব্যাপক হট্টগোল হয়। খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান জানান, পুলিশ যাওয়ার আগেই পারসোনা কর্তৃপক্ষ ভিডিও ক্যামেরাটি খুলে ফেলা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানায়, ওই নারী চিকিৎসকের চাপের মুখে পারসোনা কর্তৃপক্ষ গোপন ক্যামেরার বিষয়টি স্বীকার করে। পরে রেকর্ডকৃত অংশটুকু নারী চিকিৎসককে দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করে। রেকর্ডকৃত অংশ একটি কম্পিউটারের মাধ্যমে লোড করার সময় পারসোনার দুই পুরুষকর্মী তাদের নিজেদের পেনড্রাইভে নেওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে ওই নারী চিকিৎসকের স্বামী তাদের কাছ থেকে ভিডিওকৃত অংশটুকু নিয়ে নেয়। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পারসোনা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টির সমঝোতা করার চেষ্টা করছিল।


বিক্ষুব্ধ নাগরিক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয়নি। ফেসবুকের ওয়াল পারসোনার নিন্দায় ভরে গেছে। পারসোনার ফেসবুক পাতায় অনলাইন ব্যবহারকারীরা নিন্দা জ্ঞাপন ও জবাবদিহিমূলক মন্তব্য করতে শুরু করে সংবাদ প্রচারের পর থেকেই। কিন্তু সকলেই জানান, প্রত্যেকের মন্তব্য মুছে দেয়া হচ্ছে।এর কিছুক্ষণের মধ্যে পারসোনার ফেসবুক [https://www.facebook.com/yourpersona] পাতাটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। অর্থ্যাৎ পারসোনা কর্তৃপক্ষ ঘটনা ও ঘটনার প্রতিক্রিয়া ধামাচাপা দিয়ে তাদের ব্যবসায়িক নামডাক রক্ষায় ’ওভার নাইট’ তৎপর হয়ে উঠেছেন!
 
ব্লগার ও অনলাইন ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া জানা যাক এবার। সংবাদপত্রগুলোর ‍উপর বেশ খানিক অনাস্থা প্রকাশ করে আল হাসান বলেছেন,

পত্রিকায় এই খবর যদি আসে, আসলেও সেটা দায়সারা ভাবে আসতে পারে। নিজ দায়ীত্বে আমাদের উচিৎ সবাইকে সচেতন করা। যতদূর সম্ভব খবরটা ছড়িয়ে দেয়া। মক্ষিরানী কানিজ আলমাসের আসল চেহারা সবাই চিনে নিক।

M A Hossain Tonu এবং S. M. Ibrahim Lavlu ফেসবুক ওয়ালে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এভাবে,

shame on kaniz almas khan… she is doing porn business

শেম অন কানিজ আলমাস খান…শি ইস ডুইং পর্ন বিজনেস

ব্লগার কি নাম দিব বলেন,

আমি কানিজ আলমাস কে পরিমলের বউ বলসি, আমার কমেন্ট ও ডিলিট মার্সে।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পর কানিজ আলমাসকে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। তবে পরবর্তীতে কানিজ আলমাসের কাছ থেকে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে। যেখানে তিনি ঘটনাটিকে একটি ’অনিচ্ছাকৃত’ ভুল উল্লেখ করে দু:খ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন [খবর সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম],

একজন ইলেক্ট্রিশিয়ানের ভুলের কারনে সিসি ক্যামেরাটি সামান্য ঘুরে যায় ফলে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি ঘটে ।


প্রতিষ্ঠা ও সুনামের পিঠ বাঁচাতে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভুল অনিচ্ছাকৃত ভুলে পরিণত হয়ে গেল কয়েক ঘণ্টার মধ্যে! প্রথমে যে আতংক ছড়িয়ে ছিল, সেটিকে নিরুত্তাপ করার জন্য জানা গেল, হিডেন ক্যামেরা নয়, সিসি ক্যামেরা ছিল ওটা। কিন্তু ক্যামেরা যাই হোক না কেন, এর অবস্থান কোথায় ও ব্যবহার কি উদ্দেশ্যে হচ্ছে এখানে সেটাই মুখ্য । 
ইলেকট্রিসিয়ানের ভুলের কারণে ক্যামেরা ঘুরে যাওয়ার বক্তব্যের আগে এটা বোঝা জরুরী, বস্তুত ক্যামেরাটিই ভুল জায়গায় ছিল। যদি এ ধরণের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাজনিত কারণে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকে তবে তা এনট্র্যান্স বা প্রবেশ পথে, রিসিপশনে, ক্যাশ কাউন্টারে থাকতে পারে। একটি বিউটি পার্লারে স্পা কক্ষে অথবা পোষাক পাল্টানোর কক্ষে বা এর আশেপাশের কোন কোণে যে কোন ধরণের ক্যামেরা বসানোর উদ্দেশ্য কোনভাবেই শুভ নয়, তা সে ক্যামেরা যে দিক ঘুরিয়েই বসানো হোক না কেন। 
এরপর আসা যাক ক্যামেরা মনিটরিংয়ের বিষয়ে। ইতিমধ্যে জানা গেছে, পারসোনার পুরুষকর্মীরা তড়িৎ ভিডিও ফুটেজ পেন ড্রাইভে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তাহলে ওই পুরুষ কর্মীরা কানিজ আলমাসের সেই তথাকথিত ’অনিচ্ছকৃত ভুল’ বিষয়ে ভালভাবেই অবগত ছিলেন। প্রতিষ্ঠিত ও অভিজ্ঞ নারী ব্যবসায়ি কানিজ আলমাস এই পোষাক পরিবর্তন কক্ষে বসানো ক্যামেরা মনিটরিংয়ের জন্য পুরুষকর্মী নিয়োগ দিয়ে নিশ্চিতভাবে আরো একটি ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ করেছিলেন। 
যে বিষয়গুলো জানা দরকার এখন,


  • এ ধরনের কয়টি ক্যামেরা বসানো পাওয়া গেছে পারসোনার বনানী ব্রাঞ্চে পোষাক পরিবর্তন কক্ষে বা স্পা কক্ষে?
  • যেহেতু ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে ক্যামেরা বসানো হয়েছে, তাহলে একাধিক ক্যামেরা বসানো থাকার কথা!
  • ক্যামেরাগুলো কবে বসানো হয়েছে?
  • ক্যামেরা ঘুরে গেছে তা এতো তাড়াতাড়ি কানিজ আলমাস নিশ্চিত হলেন কিভাবে?
  • ক্যামেরা ইলেকট্রিসিয়ানের দোষেই ঘুরেছে এটাই বা কানিজ আলমাস নিশ্চিত করে বলছেন কিভাবে?
  • তাহলে কানিজ আলমাস এটাও জানাক, ক্যামেরাগুলো ঠিক কবে ও কখন থেকে কত ডিগ্রী কোণে ঘুরে গেছে?
  • যদি ক্যামেরা আজকের আগে ঘুরে গিয়ে থাকে, তাহলে তার কর্মীরা এখন পর্যন্ত কতগুলো আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ গোপনে সংগ্রহ করেছে, তাও কানিজ আলমাস আমাদের জানাতে পারেন।
  • পারসোনার অন্যান্য ব্রাঞ্চগুলোতেও কি একই ধরনের কক্ষে ক্যামেরা বসানো আছে? সেখানকার ক্যামেরাগুলো কত ডিগ্রী ঘুরে আছে, তা কানিজ আলমাসের কাছে প্রশ্ন।
  • সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত নিরাপত্তাজনিত ফুটেজগুলো যে সব কর্মীরা পর্যবেক্ষণ করে, তাদের তত্বাবধান করে কে?
  • নিরাপত্তাজনিত কারণে বসানো সিসি ক্যামেরা দিয়ে ধারণকৃত ভিডিও রেকর্ডগুলো কি পরবর্তীতে নিয়মিত/অনিয়মিতভাবে রিভিউ হতো?
  • কে রিভিউ করতো?
  • পোষাক পরিবর্তন রূমের আশেপাশে থাকা সিসি ক্যামেরায় আসলে কি ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হতো পারসোনার?

  • উত্তরগুলো সন্তোষজনক না হলে বুঝতে হবে, পারসোনা ’ইচ্ছাকৃতভাবে’ এ ধরণের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছে। তাহলে সরল প্রশ্ন- কী করা হতে পারে এইসব ভিডিও ফুটেজ দিয়ে? উত্তরটা অবশ্য ভয়াবহ। এইসব ভিডিও ফুটেজ অবধারিতভাবে পর্নগ্রাফি হিসেবে সরবরাহ হয়। 
    ব্লগার কালপুরুষ ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন,

    পারসোনার সবগুলো ব্রাঞ্চ সিজ করা হোক। ক্যামেরা অন্যগুলোতেও পাওয়া যাবে।
    এমন একটি আতংকজনক সংবাদ গণমাধ্যমগুলো দ্বায়িত্বের সাথে কতদিন ফলোআপ করবে, এটা একটা প্রশ্ন! একই সাথে আইন কিভাবে পারসোনার এই অপকর্মকে বিচার করে তাও দেখার বিষয়। পুরো ঘটনাটি ’যে কোন প্রকারে ‘ ধামাচাপা পড়ে গেলে তা নিশ্চয়ই একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ি হিসেবে কানিজ আলমাসের কৃতীত্বই হবে! 
    ***

    [শনিবার ০১ অক্টোবর ২০১১ বিকাল ৪:৪২]

    আপডেট ১: পারসোনার ফেসবুক ফ্যান পেইজ পাতাটিবর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে। যথারীতি বিভিন্ন জনের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে এই পাতায়।

    আপডেট ২:ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ’ ফ্যান পেইজে একজন প্রত্যক্ষদর্শীর মন্তব্যের স্ক্রিণ শট দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পাতায় মন্তব্যে দেখা যায়, তারা বলছে,

    বাহ, কিছুক্ষণ আগে থেকে পারসোনা (Persona) ফান পেইজ থেকে এই পেইজ (Bangladesh) কে বান করা হয়েছে!! তাদের সততা দেখে অভিভূত হয়ে যাচ্ছি!!!

    এই ইংরেজি বক্তব্যের বাংলা অর্থ করলে বক্তব্যটি এমন -
    আমি নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, যখন আপনার বনানী ব্রাঞ্চে ঘটনাটি চলছিল। সেই মহিলা স্পা ট্রিটমেন্ট নিচ্ছিলেন, ক্যামেরাটি সরাসরি তার দিকে ফোকাস করা ছিল যেমনটি তিনি বলেছেন। তিনি রিসিপশনে এ নিয়ে জানতে চান, তারা তর্ক করে, বলে, না, এটা প্রবেশ পথের দিকে ফোকাস করা। তথাপি তিনি সন্তুষ্ট হননি, তাই তিনি তার স্বামীকে ফোন করে আসতে বলেন দেখার জন্য। তিনি আসেন এবং সিসিক্যামেরা রেকর্ড চেক করে দেখেন এবং সংক্ষিপ্ত পোষোকে তার স্ত্রীর পুরো স্পা ট্রিটমেন্ট ভিডিও পান। তিনি সকল মহিলাদের এবং আমাদের সেই সিসিক্যামেরা কক্ষে আসতে বলেন ও ভিডিওটি দেখতে বলেন। কিন্তু আমরা যাবার আগেই এটা বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে আমরা কিছু দেখতে পারিনি। ম্যানেজার অথবা ইনচার্জ মহিলা জানায়, তারা গতকাল ক্যামেরা ফিক্স করেছে এবং সেই টেকনিশিয়ান এর ভুলে এটা ভুল দিকে ফোকাস হয়েছে, আসলে হওয়ার কথা ছিল প্রবেশ মুখে।
    এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো দেখা যাক –


  • সিসিক্যামেরা এনট্রান্স বা প্রবেশ মুখে দিকে থাকার কথা ছিল। স্প্যা ট্রিটমেন্ট নেয়া গ্রাহকের দিকে নয়। এই এ্যানট্রেন্স/প্রবেশ পথ কিসের? স্পা কক্ষের? নাকি পারসোনার প্রধান এ্যানট্রেন্স। প্রধান প্রবেশ মুখ হলে সমস্যা নেই কিন্তু বোঝা যাচ্ছে, এটা স্পা কক্ষের এ্যানট্রেন্স। এরকম জায়গায় সিসি ক্যামেরা ফোকাস করে কী ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় পারসোনার? নারী গ্রাহকরা অনেক সময়ই স্পা সার্ভিস শেষ করে অন্য কোন সার্ভিস এরিয়াতে যাওয়ার সময় স্পা পোষাক পরিহিত অবস্থায় কক্ষ দিয়ে বার হন। তার মানে এই অবস্থাটি কিন্তু অবলীলায় ক্যামেরাবন্দী হয়!!!!
  • পারসোনার বনানী ব্রাঞ্চের ম্যানেজার/ইনচার্জ মহিলা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুততার সাথে ক্যামেরা টেকনিশিয়ানের উপর দোষ চাপিয়ে দিলেন! তাতে মনে হয় ক্যামেরার ফোকাস ঘুরে যাওয়ার বিষয়টা তিনি জানতেন আগেই! (অথবা ক্যামেরাটা ঘোরানোই থাকে ওভাবে!!!!!)
  • যদি, টেকনিশয়ানের ভুলের কারণে ক্যামেরা ঘুরতে থাকে, তবে তা ওই স্পা ট্রিটমেন্ট নিতে থাকা মহিলা কর্তৃক ক্যামেরা দেখার আগেই হয়েছে। তাহলে, অভিযোগ জানানোর আগেই কেন সিসি ক্যমেরা পর্যবেক্ষণকারী কর্মচারীরা এ ব্যাপারে রিপোর্ট করেনি?
  • ব্রাঞ্চের ম্যানেজার/ইনচার্জ মহিলা উপস্থিতভাবে টেকনিশিয়ানের উপর দায় চাপিয়ে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, পরবর্তীতে কানিজ আলমাসও সেই একই ব্যাখ্যা মুখস্ত বুলির মত বলে গেছেন!

  • একটা বিশেষ প্রশ্ন -


  • যে দুই পুরুষকর্মী পেন ড্রা্ইভে করে ভিডিও ফুটেজ সরিয়ে নিচ্ছিল তাদের নাম প্রকাশ অত্যন্ত জরুরী। গণমাধ্যমগুলোতে এদের নাম অপ্রকাশিত কেন?



  • তথ্য সূত্রঃ ব্লগ বিডি নিউজ ২৪