পারসোনাতে আমাদের অনেকেরই মা বোন যায় সাজার জন্য। পারসোনার সাজের উপর গর্বও করেন। এতদিন পর্যন্ত তারা পারসোনাকে ভালবেসেছিলেন। তাদের এই ভালবাসা নিয়ে পারসোনা এবং কানিজ আলমাস তাদেরকেই ব্ল্যাকমেইল করে। জঘন্য।
কাল রাতে গুলশান থানায় পারসনার ৪/৫ জন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এইসব ভিডিও ক্লিপ দিয়ে পরবরতিতে ঐসব মহিলে/মেয়েদের ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আবার অনেককে দিয়ে প্রভাবশালীদের মনোরঞ্জনের ব্যবস্তা করেছে। পারসনার কম্পিউটার চেক করে সমাজের অনেক নামি দামি মহিল ও অনেক নামকরা সেলিব্রিটির ভিডিও ক্লিপ পাওয়া গেছে। আমাদের মা বোনের নিস্পাপ ছবি কি পারসোনার হার্ড ডিস্কে আছে? যদি থেকে থাকে তাহলে, আমি পুলিশ কে অনুরোধ করবো, পারসোনার হার্ড ডিস্কের ভিডিও, নিজেদের হেফাজতে খুব ভাল করে রাখুন। কোন মতে যেন লিক না হয়। কারন আমাদের পুলিশ মহোদয়রা এই ছবি নিয়েও ব্যাবসা করতে পারে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১০ ধারায় বলা আছে, 'যৌন পীড়ন, ইত্যাদির দণ্ড'।
সেখানে বলা আছে, "যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে তাহার যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তাহার শরীরের যে কোন অঙ্গ বা কোন বস্তু দ্বারা কোন নারী বা শিশুর যৌন অঙ্গ বা অন্য কোন অঙ্গ স্পর্শ করেন বা কোন নারীর শ্লীলতাহানি করেন তাহা হইলে তাহার এই কাজ হইবে যৌন পীড়ন এবং তজ্জন্য উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বছর কিন্তু অন্যুন তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷"
এই বিষয়ে জনমত গড়ে তুলতে হবে। পারসোনার হার্ড ডিস্কের ভিডিও যেন কোন ভাবেই ইন্টারনেটে না ছড়ায় সে দিকে নজর দেবার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের অনুরোধ করছি। কারন এই ব্যাপারটির সাথে হাজার হাজার নিস্পাপ মা বোনের সম্মান জড়িত।
নিজ দায়ীত্বে আমাদের উচিৎ সবাইকে সচেতন করতে হবে। যতদূর সম্ভব খবরটা ছড়িয়ে দেয়া। কানিজ আলমাসের আসল চেহারা সবাই চিনে নিক। এই বিষয়ে জনমত গড়ে তুলতে এই পেজে লাইক দিতে পারেন। অবশ্যই কানিজ আলমাস এর
বিরুধে মামলা করা উচিত। কানিজ আলমাস শাস্তি দেওয়া হোক।
লেখাটি লিখেছেনঃ তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী
কাল রাতে গুলশান থানায় পারসনার ৪/৫ জন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এইসব ভিডিও ক্লিপ দিয়ে পরবরতিতে ঐসব মহিলে/মেয়েদের ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আবার অনেককে দিয়ে প্রভাবশালীদের মনোরঞ্জনের ব্যবস্তা করেছে। পারসনার কম্পিউটার চেক করে সমাজের অনেক নামি দামি মহিল ও অনেক নামকরা সেলিব্রিটির ভিডিও ক্লিপ পাওয়া গেছে। আমাদের মা বোনের নিস্পাপ ছবি কি পারসোনার হার্ড ডিস্কে আছে? যদি থেকে থাকে তাহলে, আমি পুলিশ কে অনুরোধ করবো, পারসোনার হার্ড ডিস্কের ভিডিও, নিজেদের হেফাজতে খুব ভাল করে রাখুন। কোন মতে যেন লিক না হয়। কারন আমাদের পুলিশ মহোদয়রা এই ছবি নিয়েও ব্যাবসা করতে পারে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১০ ধারায় বলা আছে, 'যৌন পীড়ন, ইত্যাদির দণ্ড'।
সেখানে বলা আছে, "যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে তাহার যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তাহার শরীরের যে কোন অঙ্গ বা কোন বস্তু দ্বারা কোন নারী বা শিশুর যৌন অঙ্গ বা অন্য কোন অঙ্গ স্পর্শ করেন বা কোন নারীর শ্লীলতাহানি করেন তাহা হইলে তাহার এই কাজ হইবে যৌন পীড়ন এবং তজ্জন্য উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বছর কিন্তু অন্যুন তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷"
এই বিষয়ে জনমত গড়ে তুলতে হবে। পারসোনার হার্ড ডিস্কের ভিডিও যেন কোন ভাবেই ইন্টারনেটে না ছড়ায় সে দিকে নজর দেবার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের অনুরোধ করছি। কারন এই ব্যাপারটির সাথে হাজার হাজার নিস্পাপ মা বোনের সম্মান জড়িত।
নিজ দায়ীত্বে আমাদের উচিৎ সবাইকে সচেতন করতে হবে। যতদূর সম্ভব খবরটা ছড়িয়ে দেয়া। কানিজ আলমাসের আসল চেহারা সবাই চিনে নিক। এই বিষয়ে জনমত গড়ে তুলতে এই পেজে লাইক দিতে পারেন। অবশ্যই কানিজ আলমাস এর
বিরুধে মামলা করা উচিত। কানিজ আলমাস শাস্তি দেওয়া হোক।
No comments:
Post a Comment